ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে বলতে প্রেমিক প্রেমিকা হারিয়ে যাচ্ছেন অজানা দেশের গল্পে। কানে ফোন রেখে রাত থেকে কখন যে সকাল হল কেউ টেরও পেল না। কিন্তু এই দূরভাষ যন্ত্রেই আর মন ভড়ছে না। অগত্যা দূরকে কাছে টানতে নিতে হল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সাহায্য। কথা বলতে বলতে দেখা যাবে ওপর প্রান্তে থাকা মানুষটিকেও। মানুষটি কি করছে, কি পরে আছে? কি খাচ্ছে? সবই এপ্রান্তে বসে দেখা যাবে। এই প্রযুক্তির নাম ভিডিও কলিং। এই ভিডিও কলিংয়ের গেরোয় ফাঁস হয়ে যাচ্ছে প্রেমযুগলের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত। এটি একধরণের সাইবার ক্রাইম। আর এই অপরাধের পেছনে রয়েছে ‘ওয়েব ক্যাম হ্যাকিং’ গ্রুপ।
স্কাইপ, ভিডিও কলিংয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের অপরাধের মাত্রা সর্বাধিক। অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করে তা ইন্টারনেটে আপলোড করে দেয় এই হ্যাকিং গ্রুপ। যা সরাসরি ভাবে অথবা পরোক্ষভাবে ‘পর্ন’-এর মত ব্যাবহার হয়ে থাকে। তবে এমনও দেখা গেছে প্রেম যুগলের সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর রাগ-ক্ষোভ থেকেই নিজেদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও পাবলিক করে দেন তাঁরা। এমন হবার ফলে ব্যাক্তিগত মুহূর্ত হঠাৎই বেয়াব্রু হয়ে যায়। সম্মানহানির আশংকায় অনেক তরুণ-তরুণীই এই ধরনের ঘটনার পর আত্মহত্যার মত কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এবার থেকে তাই সাবধান থাকুন। ওয়েব ক্যামে ভিডিও কলের সময় সতর্ক থাকুন নিজে। কি কথা বলবেন, কি করবেন আর কি করবেন না সে বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করুন।
প্রবাসী ভাইয়েরা দেশের বাইরে অনেক কষ্ট করে দেশে অর্থ পাঠান তাদের প্রিয় মানুষটির মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। কিন্তু সেই প্রিয় মানুষটি যখন তার টাকায় চলে ফিরে অন্যের ভোগে নিজেকে মাতোয়ারা করেন তখন তা শুধু সেই প্রবাসী ভাইটিকে নয়, আমাদেরকেও ভীষণভাবে কষ্ট দেয়।
আজকে এমন একটি সত্য ঘটনার ভিডিও দেখবেন যে ঘটনা দেখে আপনার চোখেও পানি আসতে বাধ্য। কি সেই ঘটনা। জানতে ৫ বছর পেছনে যেতে হবে। যেখানে যুবকটি একটি মেয়েকে ভালোবেসে নিজের বাবা মা-সহ সবাইকে ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন। একসময় বউয়ের প্ররোচণায় বিদেশ যান তার অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে। কিন্তু আসলে কি চায় সেই স্ত্রী রুপী তরুণী?
বিদেশ যাবার পর ৬ মাস থেকে একবছর ভালোভাবেই দিন কাটছিলো। কিন্তু ১ বছরের মাথায় এক বন্ধুর কম্পিউটারে একটি গোপন ভিডিও ক্লিপ দেখে তার মাথা ঘুরে যায়। একি দেখলো সে? দেশে রেখে আসা তার প্রিয়তম বৌ, অন্য পুরুষের সাথে একই বিছানায় একি করছে? পাঠক পুরো ঘটনা জানতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভিডিওটি দেখার অনুরোধ রইলো।
মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি ‘টার্ন অন’ হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ইছেলেরা সেইসব অংশের দিকে নজর দেয় না। ফোরপ্লে সীমাবদ্ধ থাকে ব্রেস্ট, নিপলস আর কিসের মধ্যেই। তারপরেই ইন্টারকোর্স। ব্যাপারটা যেন একঘেয়েই। কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের।
১. ঘাড়ের পিছন দিকে:
মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানেস্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তারপিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে। সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।
২. কান:
কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি ‘সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড’ করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।
৩. উরু বা থাই:
মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।
৪. হাতের তালু ও পায়ের পাতা:
হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাঁকে পরবর্তী সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটিরই মেসেজ দেবে। দেখবেন সেও সাড়া দেবে। টার্ন অন করবে আপনার সঙ্গিনীকে।
৫. পা:
মহিলাদের দ্রুত উত্তেজিত করতে পায়ে হাত বুলিয়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেকেই বেশ মজা পায়। তবে কিছু মেয়ের এটি পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করে নিন আপনার সঙ্গিনীকেই।
৬. পিঠ:
পিঠ, বিশেষ করে পিঠের নিচে, কোমরের দিকের অংশটাতে স্পর্শ ও আদর চায় মেয়েরা। মেরুদন্ড বরাবর চুমু দিতে দিতে নিচে নেমে যান। তাঁর সেক্স করার মুড আরও বাড়বেই।
৭. কলার বোন:
একটি মেয়েকে দ্রুত উত্তেজিত করতে তাঁর ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে, তার গলার নিচে, কলার বোনের দিকে নজর দিন। এতে সে বুঝবে আপনি কতটা চান আপনার সঙ্গিনীকে।
সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর সাবেক প্রেমিকার অশ্লীল ছবি বিক্রির অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে ১৪ বছরের এক বালকের বিরুদ্ধে। ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রতিশোধমূলক পন্থা হিসেবে পর্নো ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এই কিশোরের বয়স সবচাইতে কম। সাবেক প্রেমিকার ছবি ১০ পাউন্ডে বিক্রি করছিল অভিযুক্ত ওই কিশোর।
অভিযুক্ত কিশোরের কাছে তার সাবেক প্রেমিকার ১৭০ টি ছবি ছিল এবং সে এগুলো ফেসবুকে বিক্রি করছিল।
এই মামলার পর কিশোরকে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে এ ধরনের কাজ কৌতুক হিসেবে গন্য করার মত নয় বরং বড় ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড হিসেবেই বিবেচিত।
প্লি মাউথের একটি কিশোর আদালতে মামলার শুনানীতে বলা হয় অভিযুক্ত কিশোরের সাথে সম্পর্ক থাকা অবস্থায় ওই কিশোরী অনেকগুলো ছবি পাঠায় কিশোরকে।
তাদের সম্পর্ক ভাঙ্গার পর ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী পুলিশের কাছে দুই তরুণ তার ছবি বেচাকেনা করছে বলে অভিযোগ করে। এরপর পুলিশ তার সাবেক প্রেমিকের ল্যাপটপ, ডেস্কটপ এবং ফোন বাজেয়াপ্ত করে।
দ্বিতীয় অভিযুক্ত বলে, তার বন্ধু তাকে ওই মেয়ের একটি ছবি পাঠানোর পর সে তার বন্ধুর কাছে আরো ছবি চাইলে তার বন্ধু তাকে ১০ পাউন্ডের বিনিময়ে ছবি বিক্রি করে। এবং সেগুলো ফেসবুক পেইজে পোষ্ট করে।
আদালত তাদের দুজনকেই ১২ মাসের কাউন্সিলিংয়ে রাখা ও ১০০ পাউন্ড জরিমানা করা ছাড়াও নির্দেশ দিয়েছে বাজেয়াপ্ত করা সকল ইলেকট্রনিক জিনিস ধ্বংস করে ফেলার।
মেয়েদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ হলো ভগাঙ্কুর বা ক্লিটোরিস (clitoris)। স্তনবৃন্ত, উরুদ্বয়, কানের লতি বা কানের নিচে, ঘাড়, ঠোঁট সহ যে কোন অঙ্গই সংবেদনশীল হতে পারে।
ভগাঙ্কুরে জিহ্বা দিয়ে লেহন করে বা আঙুল দিয়ে ঘর্ষণ করে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তেজিত করা সম্ভব। এছাড়া একেকজনের একেক রকম রুচি বা ভালো লাগা থাকে। এসব জেনে নিতে হয়। উত্তেজিত হলে মেয়েদের যৌনাঙ্গ ফুলে ফাঁপা হয়ে উঠবে, অতিরিক্ত ভিজে পিচ্ছিল হয়ে যাবে, স্তনবৃন্ত শক্ত হয়েফুলে উঠবে, নিঃশ্বাস দ্রুত এবং গাঢ় হয়ে আসবে, মুখে নানারকম শব্দ হবে।
প্রায় বেশীর ভাগ মহিলারাই যৌন মিলনের পরে একান্ত ঘনিষ্ঠ মুহুর্ত চায়৷ সে চাহিদায় তারা পরিতৃপ্ত না হতে পারলে তাদের সঙ্গীর শারীরিক সংসর্গ তাদের খুশী করতে পারে না৷ এই অতৃপ্তির কারণেবেশীর ভাগ মহিলারই তার পুরুষ সঙ্গীটিকে selfish বলে মনে হয়৷
কাহানি ঘর ঘর কি’ সিরিয়ালের পার্বতীর (সাক্ষী তানওয়ার) মেয়ের কথা মনে পড়ে? ওই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রীতি গুপ্ত। এতো বছর পর আবার খবরের শিরোনামে তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার কিছু স্থিরচিত্র নিয়ে সোরগোল পড়ে গেছে। এগুলো মূলত তার অভিনীত ‘আনফ্রিডম’ ছবির স্ক্রিনশট। এতে তাকে দেখা গেছে নগ্ন ও সমকামি চুম্বন দৃশ্যে।
যৌন উদ্দীপক উপাদান থাকায় ভারতে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে ‘আনফ্রিডম’। এর গল্প নারী সমকামি প্রেমকে ঘিরে। এটি তৈরি হয়েছে ফায়েজ আহমেদ ফায়েজের কবিতা ‘ইয়ে দাগ দাগ উজালা’ অবলম্বনে। এটাকে বলা হচ্ছে সমকালীন থ্রিলার।
নিউইয়র্ক ও নয়াদিল্লির দুটি গল্পকে সমান্তরালভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এতে। একটিতে রয়েছে এক উদার মুসলিম পন্ডিতকে নিস্তব্ধ করে দিতে চায় সন্ত্রাসী। আরেকটি গল্প একটি মেয়েকে ঘিরে। পারিবারিকভাবে আয়োজন করা বিয়ে থেকে পালিয়ে যায় সে। কারণ সমকামি প্রেমে জড়িয়ে পড়েছে সে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী নির্মাতা অমিত কুমার। এটাই তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র। গত মাসে এটি মুক্তি পেয়েছে আমেরিকায়।
চলতি বছরের শুরুতে বিদেশের বাজারে মুক্তিপ্রাপ্ত অনুরাগ কাশ্যাপের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থেকে রাধিকা আপ্তের নগ্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ে অন্তর্জাল দুনিয়া ও হোয়াটসঅ্যাপে।
নিউজ ডেস্ক : প্রতি দশ জনের মধ্যে একজন ঘুমন্ত অবস্থায় টয়লেটে গিয়েছেন। প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন ‘স্লিপ প্যারালাইসিস’য়ে আক্রান্ত হয়েছেন। আর দশজনের মধ্যে একজনের দম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ঘুমন্ত অবস্থায় হাঁটাহাঁটি করার শতকরা ১৬ ভাগ মানুষ হালকা স্ন্যাকস খেয়েছেন।
সাইকোলজি টুডের মতে, নারীরা ‘স্লিপ সেক্স’য়ের সময় সাধারণত ‘সেক্সুয়াল ভোকালাইজেশন’ এবং মৈথুন করে থাকেন। অপরদিকে পুরুষরা স্পর্শ করা এবং সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে থাকেন।
সেক্সোমনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও ঘুমজনিত সমস্যা যেমন স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস নেওয়া থেমে যাওয়া এবং স্লিপ ডিপ্রাইভেশন বা নিদ্রাহীনতার লক্ষণ দেখা যায়।
সেক্সোমনিয়া হচ্ছে ঘুমজনিত সমস্যা যা ঘুমন্ত অবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে যৌনতার উদ্রেক করে।
মিডোজ আরও বলেন, “আমরা অনেকেই ব্যস্ত এবং অস্থির জীবনযাপন করি। তাই হয়ত বিছানায় যাওয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। গবেষণার ভিত্তিতে বলা যায় বিশ্রামহীনতার কারণে প্রায়ই ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে।”
গবেষকরা শেষে জানান, ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট কোনো খাবার বা পানীয় যেমন অ্যালকোহল সেবনের ফলে ভালো ঘুম হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করে।
জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়ার একটি পিঠ খোলা ছবি নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড়।ঝড় উঠেছে নিন্দার। আপাতদৃষ্টিতে ছবিটিকে পুরো নগ্ন বলেই দাবি করছেন ফেসবুক কমেন্টওয়ালারা।
জানা যায়, টিজেড’স স্টোর নামে একটি গয়না বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের মডেল হতে গিয়ে এমন একটি ছবি তোলেন স্পর্শিয়া। ছবিটি বৃহষ্পতিবার আপলোড করা হয় তার ফ্যান পেইজে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে মন্তব্যের ঝড়। যার বেশিরভাগইবেশ আপত্তিকর এবং হিংসাত্মক।
অনেক মন্তব্যকারী স্পর্শিয়াকে প্রশ্ন করে বলেছেন, এই রোজার মাসে যেখানে নায়লা নাঈম হিজাব পরেছে সেখানে স্পর্শিয়া কেমন করে এমন একটি আপত্তিকর ছবি তুললেন? কেউ কেউ বলেছেন, এটা জনপ্রিয়তা অর্জনের একটি সহজ উপায়। অনেকে বলেছেন, রোজার মাসে এই ছবি ফেসবুকেআপলোড করা ঠিক হয়নি।
পিঠ খোলা সমালোচিত সেই ছবিটি, যার সামনের অংশ শেষ পর্যন্ত পাঠাননি স্পর্শিয়া!
আবার অনেকে এই ছবিকে সমর্থন আর অজস্র বিরুপ মন্তব্যের প্রতিবাদ করে লিখেছেন, বাঙালির রুচিবোধ কেমন তা কমেন্টগুলো দেখলে টের পাওয়া যায় । ভাগ্যিস এদেশে পিকাসো জন্মায়নি, তাহলে তার আঁকা ছবিকে অশ্লীল বলে এদেশের মূর্খ জনগণ ছিঁড়ে ফেলতো। আবার কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘এই ছবি স্পর্শিয়ার নয়। সে এমন ছবি তুলতেই পারে না। এটা নকল ছবি।’
স্পর্শিয়ার নগ্ন প্রায় এই ছবিটি প্রকাশের মাত্র ২১ ঘন্টার মধ্যে হাজারের ওপর কমেন্ট পড়েছে। যার মধ্যে ৯৮ ভাগই গেছে স্পর্শিয়ার বিরুদ্ধে। ছবিটি আসলেই কি স্পর্শিয়ার? জানতে মুঠোফোনে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কথা হয়।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ এটা আমারই ছবি।’ বাকি প্রশ্নের সুযোগ না দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখুন এই ছবিটা নিয়ে আজ অনেক অনেক কথা হচ্ছে। ফেসবুকে সবাই যা তা বলছে। অনেকেই আমাকে ফোন দিচ্ছে। কিন্তু বিষয়টাকে নিয়ে সবাই ভুল বুঝছে। ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে, বাস্তবতা কিন্তু তা নয়।’
একটু থেমে ঢোক গিলে দম নিয়ে স্পর্শিয়া আরও বলেন, ‘আমার সামনের অংশে কাপড় আছে। সেই ছবিটা আমি আপনাকে পাঠাচ্ছি। নিচের অংশেও কাপড় আছে। জাস্ট পিঠে গয়না রেখে ছবিটা টাইট ফ্রেমে তোলা হয়েছে। এতে নগ্নতার কিছু নেই’।
স্পর্শিয়া আরও জানান, গেল ২০ ঘন্টা ধরে ফেসবুকে ঝড় তোলা এই ছবিটি আরও দেড় দুই মাস আগে তোলা হয়েছে একটি সুইমিংপুলে। গয়না প্রতিষ্ঠানটির অনলাইন প্রচারনার জন্যই ছবিটি এভাবে তোলা হয়। তিনি বলেন, ‘এই ছবিটি আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানকে না প্রকাশের অনুরোধ করেছি। তাছাড়া আমার নামে যে ফ্যানপেইজে ছবিটি প্রকাশ পেয়েছে, সেটা আমি চালাই না। কে চালায় জানিও না। সব মিলিয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছে এই ছবিটা ইস্যু করে কেউ আমার সঙ্গে নোংরা রাজনীতি করছে।’
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হিসেবে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু। একই বছর ‘অরুণোদয়ের তরুণদল’ নাটকে রকস্টার চরিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হন। এখন মডেলিং আর অভিনয় নিয়ে দারুণ ব্যস্ত তিনি।